স্বাধীনতার ভাষা -------------------------------- যদি মনে করো আমরা তোমার দাঁড়ে পুষে রাখা ময়না তবে জেনে রাখো খুব ভুল হয়ে গেছে । যদি মনে করো তোমার শেখানো বুলি আওড়াবো আমরা জেনে রাখো তবে সেটাও তোমার ভুল। তুমি কী ভেবেছ? আমরা সবাই তোমার সুতোয় বন্দী? বেঁধে রাখা বুঝি এতই সহজ ভাবলে? কী করে ভাবলে? সেটা হয় নাকি - কী ভীষণ বোকা স্পর্ধা ! রুখে দাঁড়াবোই প্রতিরোধে বিক্ষোভে। আমার স্বদেশে জন্মেছি আমি বুকের গভীরে বিশ্বাস অস্থি মজ্জা রক্তের মতো গাঢ় - আমি কথা বলি নিজের ভাষায় সে আমার স্থির প্রত্যয় স্বপ্নে আবেগে প্রিয় থেকে প্রিয়তম । নিপীড়িত আর শোষিতের হয়ে প্রতিবাদে হই দৃপ্ত স্তব্ধ করবে - কার ঘাড়ে কটা মাথা? প্রেমিকার হাতে হাত রেখে বলি ভালোবেসে আমি রিক্ত দুই হাত পেতে আজ আমি নতজানু । আমি নাস্তিক ঠাকুর মানি না মানতে চাই না ঈশ্বর তবু সারাক্ষণ ঠাকুরের গান গাই, ঠাকুর মানে তো রবীন্দ্রনাথ আমাদের শ্বাস প্রশ্বাস যাঁর চোখে সারা বিশ্ব দেখেছি আমরা । তুমি কে বলতো, জানি...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...