কবচ ঠিক ক্যারাটে নয় , বলা যায় সেল্ফ ডিফেন্স অর্থাৎ আত্মরক্ষা। পাড়ায় একটি ক্লাব তার কুড়ি বাই কুড়ি ফুটের জমি যার নাম মাঠ , সেখানে শিক্ষার আয়োজন করেছে। প্রশিক্ষরা সেই জমিকে বলছে লন। তবে অমসৃণ জমির ফালিকে প্রশিক্ষণ যোগ্য করতে লনে যেটুকু ঘাস ছিল তা চেঁছে দুরমুশ পিটিয়ে ন্যাড়া করে ফেলা হয়েছে। সেখানেই ভর্তি হয়েছে শাহানা। মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোটে তিনজন হওয়ায় তাদের জন্য আলাদা ব্যাচ তৈরি না করে আপাতত ছেলেদের সঙ্গেই শেখানো হবে। প্রথম দিন ট্রেনার কোনও নির্দিষ্ট ধারার পূর্ণাঙ্গ মার্শাল আর্ট আর আত্মরক্ষার মধ্যে পার্থক্য এবং তার উপযোগিতা নিয়ে বক্তব্য রাখছেন। "এই যে শাহানার দিদির কথা তোমরা সবাই জানো। তার মতো অবস্থা যাতে না হয় সেই জন্যই সেল্ফ ডিফেন্স। ধরো যদি তোমাদের একসাথে চারজন চার দিক থেকে ঘিরে ধরেছে , তখন কী করবে ? তখন শুধু গায়ের জোর খাটালে চলবে না , বুদ্ধিও খাটাতে হবে। এই সমস্তই আমাদের কোর্সে আছে।" একজন শিক্ষানবিশের প্রশ্ন , " যদি যারা অ্যাটাক করছে তারাও এই ব্যাপারে...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...