বিশ্ব কবিতায় বর্ষার সেকাল একাল কিংবদন্তী ক্ষণার বর্ষার উক্তি হচ্ছে: চৈত্রেতে থর থর বৈশাখেতে ঝয় পাথর জ্যৈষ্ঠতে তারা ফুটে, তবে জানবে বর্ষা বটে। ছোট্ট বেলায় বর্ষা কেটেছে হাটুজল বিলের শাপলা ফোটা শুভ্র সকাল দেখে দেখে। একদল দস্যু তারুণ্যের শাপলা তোলার আনন্দে। চারদিক টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ আর টইটম্বুর ভিজা ভিজা প্রকৃতির সবুজ আঁচল। বৃষ্টির ফোটায় ফোটায় কলাপাতার নড়ে চড়ে ওঠা আর কচু পাতার হঠাৎ হঠাৎ চিৎপটাঙ তারই মধ্যে কোলা ব্যাঙের বৃষ্টি হতে নিজেকে লুকাবার জানবাজি চেষ্টা। মেঘদেবের ডমরু ডাক ধূসর অন্ধকারে দখিণা জানালার দৃশ্যপট। রাত্রির উন্মাতাল ঝড়ের তান্ডবে চৌচালা ঘরের পশ্চিমে পুকুর পাড়ে ছিঁড়া কদমের বুক ভরা হাহাকারের সকরুণ দৃশ্য। বাংলার প্রকৃতির বর্ষা ঋতু বড় অস্থির করে সারাটা সময়। উজানী পোয়াতি পুঁটি লাল বেনারশী পরে জল রেখে জয় করতে চায় ডাঙ্গার আদর। কলমীর চিকন ডালে লাগে জলজ হাওয়া। দোয়েল পাখিটা মত্ত হয় নৃত্যে। বর্ষায় হয় তার আরোজ গোসল। দাঁড় কাকটি ভিজে জবুথুবু দেয়ালের আড়ালে। বাংলা ষড়ঋতুর দ্বিতীয় ঋতু বর্ষা। বর্ষা বলেই আকাশের বিরহ ব্যথা প্রবল হয়ে ওঠে। বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজলে শাপ মোচন হয়...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...