বহুরৈখিক কাব্যকৈবল্যে সিদ্ধ কবি কুমারেশ তেওয়ারী জুবিন ঘোষ কুমারেশ তেওয়ারী যার বহুরৈখিক কবিতায় তীর্যক শব্দসঙ্গম সমসাময়িক কবিতার স্থিতাবস্থাকে ভেঙে কলাকৈবল্যের চূড়ান্ত উচ্চতর বাস্তবে উত্তীর্ণ করেন। এশিয়ার একসময়ের বৃহত্তম সি.সি.আই.এল সাইকেল কারখানার সংলগ্ন কন্যাপুর গ্রামে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে সত্তরের পটসময়ে জন্ম এই কবি তার কৈশোরের প্রথম উপন্যাসের পাণ্ডুলিপিটি দুর্ভাগ্যবশত হারিয়ে ফেললেও সেটাই হয়তো ছিল এখনকার কবিতার প্রস্তুতি। সি.সি.আই.এল সাইকেল হয়তো হারিয়ে গেছে কিন্তু স্পোকের নৈপুণ্যে যেভাবে তার দ্বিচক্র পরিশীলিত ব্যাস বজায় রাখতে পারে ঠিক সেইভাবেই যেন কুমারেশ তার কবিতায় ভাবনা ও কবিতার টোন-টেকনিকগুলোকে স্পোকের মতোই সাজিয়ে কবিতার গঠনশৈলীকে বহুরৈখিকতার বাহান্ন তীর্থে অযান্ত্রিক আহ্বান জানান। বাংলার বহু বাণিজ্যিক-অবাণিজ্যিক পত্রিকায় তার সমসাময়িকদের সংকটের নিমিত্ত হিসেবে বিচরণ করতে করতে ইতোমধ্যেই কবির চারটি কাব্যগ্রন্থ কবি সম্প্রদায়ে তুমুল হট্টগোল পাকিয়ে ফেলেছে আর সেখানেই কবি কুমারেশ এতদিনকার প্যানপ্যানে কাব্যধারাকে অধিদমন করে চিরাচারিত লালিত্য্যের ওভারকোট খুলে আন্ডার-গা...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...