কবিতা ও নদী, জঙ্গল, জীবন পার্থ সারথি চক্রবর্তী এক কবিতা আমায় ব্যাকুল করে দেয় আজো তার উচ্ছলতায়, যেমন করে এক পাহাড়ি নদী। তার প্রতিটি ঝংকার, নদীর বহমানতার মতো সুর তোলে মনে, আলোর স্ফূরণ জাগায় চোখে, মনে আর মননে। আমি শুধু জলের শব্দের মতো- অক্ষরের মৃদু আওয়াজ শুনি প্রাণপণে কোন এক পাহাড়ের পাদদেশে যেখানে পাহাড়ি নদী নেমে আসে কবিতার বুকে। দুই জঙ্গলের মধ্যে লুকানো কিছু ঘাঁটিতে হাত ধরাধরি করে থাকে অন্ধকার ও ভয়। অজানা ও না-জানা অনেক কথাই রহস্যের জটে জড়িয়ে থাকে- কবিতার অভাবে, কবিতা শোনার আশায় কাটাতে থাকে বনবসী , বুভুক্ষু জীবন। অন্ধকারের গাঢ়ত্ব ভেদ করে আসবে কোন ছবি কবিতার রূপে, পথ দেখাবে; কেটে যাবে সব ভয়, সব অন্ধকার, কোন এক অপার্থিব রূপোলি আলোর রেখায়। তিন কবিতার জন্য জীবন, কবিতার জন্য বাঁচা অতটাও সহজ নয়, যতটা মনে হয় শুধু আলোকিত অংশই দেখা যায়, আর বাকিটা মানে বেশিরভাগই- পেছনে, অগোচরেই থেকে যায়। কবিতার জন্য বহুরাত জাগতে হয় কবিতার জন্য বহুপথ হাঁটতে হয় কবিতার জন্য অসামাজিক হতে হয়, একা হয়ে যেতে হয়! একা থাকতে হয়! কবিতার জন্য সহিষ্ণু হতে হ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...