বাঘাযতীন আলাপ-এর ' পদ্মা নদীর মাঝি ' একটি বলিষ্ঠ নাটক কাকলী দেব S I R এর সময়ে দাঁড়িয়ে আবার নতুন করে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের " পদ্মা নদীর মাঝি " কে নাট্যরূপ দেওয়া , একটা সাহসী পদক্ষেপ । নাট্যকার একটি কঠিন কাজ অত্যন্ত দক্ষতায় সম্পন্ন করেছেন। বংশ পরম্পরায় মানুষগুলোর যে মাটিতে বসবাস, তাদের শেকড় যেখানে, সেখানে তাদেরকেই আবার তার প্রমাণ দিতে বাধ্য করছে তখনকার জমিদার আর এখনকার সরকার। সময় টা শুধু বদলেছে, কালচক্রের রথে এগিয়েছে পৃথিবী । কিন্ত শোষণের ধারাটা একই রয়ে গেছে এখনও। নাট্যকার অত্যন্ত মুন্শীয়ানার পরিচয় দেন, এরকম একটি উপন্যাসকে মঞ্চস্থ করতে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এইসব প্রান্তিক মানুষদের সাথে থেকে, তাদের জীবনের সুখ দুঃখ, প্রতিকূলতা, অসহনীয় দারিদ্রকে কী নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তার লেখনীর মাধ্যমে। আজ তা ভেবে আমাদের অবাক লাগে। পৃথিবীর যেসব অসাধারণ সাহিত্য কর্ম রয়েছে, তার মধ্যে এটি অনায়াসে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। প্রত্যেকটি কুশীলব যে নিজের নিজের চরিত্র এইভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন, সেটার কৃতিত্বের দাবীদার ও পরিচালক। প...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...