রাজনীতি আর রাজনীতিকে চক্ষু ছানা বড়া।তোমার বুকে জন্ম নিয়ে সঁপেছে কত সবুজ প্রাণতাই তো তোমার বুকে মাগোস্বাধীনতার বান।এক এক করে পঁচাত্তর পেরোল, মিটল না সাধ সাধারণেরস্বাধীনতা আজ স্বাদ হীনতা, আলটপকা বিজ্ঞাপনের।গরীব শুধুই মরে এখানে, সম্বল শুধু চোখের জলনেপোয় দই মারে মাগো, ছলনার চোখ উজ্বল।পায়ের তলায় মাছির মতো মারছে যারা মানুষকেতারাই দেশের হর্তাকর্তা সাবধান করে সবাইকে।বিনা পূঁজির বড় ব্যবসায় সবাই সাজায় পসরা যেদেশের ভাল, দশের ভালো লজ্জায় মুখ লুকায় যে!চোর দেয় জ্ঞান সাধুকে, হও না ভালো এবারতেরঙ্গা আজ পকেট বন্দী, হেসে লুটায় স্বেচ্ছাচার।।
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...

Comments
Post a Comment