নারীত্ব
আজিকের বালিকা শিশু তুমি হে নারী,
তুমিই কারো ভগ্নি ,কারো কন্যা কারো বা জন্মদাত্রী।
তোমারই হৃদে অপার স্থেনের ভান্ডার সঞ্চিত ,
তোমার মমতা থেকে হয় না কেহ বঞ্চিত।।
তোমার চরিত্রে কখনো যেন না পড়ে কলঙ্কস্থান তোমার পবিত্র মানবের হৃদয় পালঙ্ক ।
যতই অশুভ শক্তি আসুক ধেয়েঐশরিক শক্তিতে প্রতিহত করিবে তুমি উচ্চ শক্তিতে সবার চেয়ে।এ আমার দৃয় বিশ্বাস -কখনো করোনি তুমি ভঙ্গ অঙ্গিকার।কোনদিন না যেন হয় তোমার হরন সতীত্ববেঁচে থাক নারী, নিয়ে তোমার নারীত্ব ।
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...
