নারীত্ব
আজিকের বালিকা শিশু তুমি হে নারী,
তুমিই কারো ভগ্নি ,কারো কন্যা কারো বা জন্মদাত্রী।
তোমারই হৃদে অপার স্থেনের ভান্ডার সঞ্চিত ,
তোমার মমতা থেকে হয় না কেহ বঞ্চিত।।
তোমার চরিত্রে কখনো যেন না পড়ে কলঙ্কস্থান তোমার পবিত্র মানবের হৃদয় পালঙ্ক ।
যতই অশুভ শক্তি আসুক ধেয়েঐশরিক শক্তিতে প্রতিহত করিবে তুমি উচ্চ শক্তিতে সবার চেয়ে।এ আমার দৃয় বিশ্বাস -কখনো করোনি তুমি ভঙ্গ অঙ্গিকার।কোনদিন না যেন হয় তোমার হরন সতীত্ববেঁচে থাক নারী, নিয়ে তোমার নারীত্ব ।
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...
