ভোটযুদ্ধ
সভ্যতার নিচে জমছে অন্ধকার আর ভয়
জানি না এ যুদ্ধে কার জিৎ ,কার হবে জয় ।হাওয়ায় হাওয়ায় খবর ওড়ে মিডিয়ায়
ভোট যুদ্ধ আসে ,নিরীহের জীবন চলে যায় ।অস্ত্র -শস্ত্র মজুত তাক করা বন্দুকের নল
শক্তিমানের আছে দলবল আর বাহুবল ।অ্যাসিডের জ্বালায় গলা বুক জ্বলে যায়
শান্তিপূর্ণ ভোট , শুধু খবর বলে যায় ---দরজা জানলা এঁটে তাই ঘুমিয়েছে পাড়া
ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে থাকে জাগে না আর তারা ।দুর্দিন তবু বসে থাকে সুদিনের আশায়
নির্ভয় কলম জাগে ভবিষ্যৎ ভাবনায় ।
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...