ভোটযুদ্ধ
সভ্যতার নিচে জমছে অন্ধকার আর ভয়
জানি না এ যুদ্ধে কার জিৎ ,কার হবে জয় ।হাওয়ায় হাওয়ায় খবর ওড়ে মিডিয়ায়
ভোট যুদ্ধ আসে ,নিরীহের জীবন চলে যায় ।অস্ত্র -শস্ত্র মজুত তাক করা বন্দুকের নল
শক্তিমানের আছে দলবল আর বাহুবল ।অ্যাসিডের জ্বালায় গলা বুক জ্বলে যায়
শান্তিপূর্ণ ভোট , শুধু খবর বলে যায় ---দরজা জানলা এঁটে তাই ঘুমিয়েছে পাড়া
ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে থাকে জাগে না আর তারা ।দুর্দিন তবু বসে থাকে সুদিনের আশায়
নির্ভয় কলম জাগে ভবিষ্যৎ ভাবনায় ।
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...