
এলোমেলো ছড়ানো-ছিটানো
বইখাতা তুলি পেন্সিল,
এক কোণে জেগে থাকা টেবিল-ল্যাম্প
লেখার টেবিল ---
স্তূপীকৃত জামাকাপড় আর কাগজপত্রের ভিড়ে
অপ্রশস্ত বিছানায় গড়াগড়ি বছর-দিন-মাস
সংসার,দাম্পত্য,খুনসুটি ও সহবাস |
দাপাদাপি, চাপাচাপি, তুমুল চিৎকার ---
মুখোমুখি বসি, কথা হয়, হাসি হয়
আমাদের ঘিরে ধরে ছন্দের পছন্দে
রুপোলি গিটার |
অস্থির রাগ কখনো গরগর
অনুরাগ কখনো ঝর ঝর
খোলাখুলি,গোলাগুলি,চোটপাট চলে
গাঢ় রাত্রির বেডকভার কত কথা বলে...
আমি যখন ওড়াই সাদা পতাকা,
দেখাদেখি তুমিও ওড়াও শ্বেত কবুতর |
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...
Comments
Post a Comment