এক অশথ এক বট উলটো যেন ঘট
বটের ঝুরি দুয়ের গোড়ায় পাকিয়েছিল জট।
পুকুর দুই ধারে – গাছ মাঝের পাড়ে
তেঁতুল-আতা-খেজুরগাছ, ঝোপ পায়ে থেকে ঘাড়ে।
পুবে শিবের থান সবাই করে মান
তিনদিকে তিন পথ গেছে তার কল নিচে একখান।
দূর থেকে নিশান, বিশ্রামে কৃষাণ –
তার ছায়াতে জিরেন আড্ডা সারা দিনমান।
ওঠার তিনটি পথ, কেউ দ্রুত কেউ শ্লথ –
বসে-শুয়ে খেলা-খাওয়ার সে অন্য জগৎ!
বাড়ির 'পরে রাগ, পারলে মানাও বাগ!
বন্ধু বট-অশথ তো আছে, যা দেখি সব – ভাগ্।
পাকলে পরে ফল আসত অবিরল
দিনে হরেক পাখি, রাতে বাদুড় দলকে দল।
পড়ত যেই জলে, মৎস্য সদলে
হামলে পড়ে খেত সে ফল হরেক কৌশলে।
তার নিচেতে ঝাঁপ, চড়ক – বাপ্ রে বাপ্!
তার নিচেতেই সভা-সালিশ – তিরস্কার বা মাফ।
এক-এক করে ডাল ভাঙল কালে কাল
ইন্তেকালটা এল যখন আমরা বেসামাল!
* * *
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...

Comments
Post a Comment