বস্তিবাসী
জীর্ণ গৃহে পশুর জীবনবস্তিবাসী তাই,চোখের তারায় অনেক স্বপনপুড়ে ছাই!ঘর সংসার স্নেহের বাঁধনদৃঢ়তায় মোড়া,বিধাতার অশেষ আশীর্বাদ সাধনঅদৃষ্টই পোড়া!চিলের চোখের শ্যেন দৃষ্টিঅভ্রান্ত ,প্রখর,জাঁকিয়ে ঠোঁটে আপন কৃষ্টিরুধির লহর !খেতাব, উপাধি উচ্ছিষ্টের নামেসভ্যের দয়াদানে,সম্মুখে,পশ্চাতে ,ডাঁইনে ,বামেআস্তাকুঁড়ের সম্মানে!উচ্ছৃঙ্খলতাই দোসর যখন আজউপায়হীন আকাশ--সভ্য জাঁকড়ে খোয়ায় লাজ,হাততালি,সাবাশ।প্রফুল্লিত দর্শকদল চীৎকারে উল্লাসে,তোয়াজের চর্বিতে,গুহ্য রয় প্রতিবাদ নিমেষেরক্তবর্ণ হুমকিতে!=======================Sanjit Das( BA graduation 2nd year geography honours)Village+post-champadangaP.s.- TarakeswarDist-hooghlyPin -712401Contact and wh.no - 9609602757
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...