বস্তিবাসী
জীর্ণ গৃহে পশুর জীবনবস্তিবাসী তাই,চোখের তারায় অনেক স্বপনপুড়ে ছাই!ঘর সংসার স্নেহের বাঁধনদৃঢ়তায় মোড়া,বিধাতার অশেষ আশীর্বাদ সাধনঅদৃষ্টই পোড়া!চিলের চোখের শ্যেন দৃষ্টিঅভ্রান্ত ,প্রখর,জাঁকিয়ে ঠোঁটে আপন কৃষ্টিরুধির লহর !খেতাব, উপাধি উচ্ছিষ্টের নামেসভ্যের দয়াদানে,সম্মুখে,পশ্চাতে ,ডাঁইনে ,বামেআস্তাকুঁড়ের সম্মানে!উচ্ছৃঙ্খলতাই দোসর যখন আজউপায়হীন আকাশ--সভ্য জাঁকড়ে খোয়ায় লাজ,হাততালি,সাবাশ।প্রফুল্লিত দর্শকদল চীৎকারে উল্লাসে,তোয়াজের চর্বিতে,গুহ্য রয় প্রতিবাদ নিমেষেরক্তবর্ণ হুমকিতে!=======================Sanjit Das( BA graduation 2nd year geography honours)Village+post-champadangaP.s.- TarakeswarDist-hooghlyPin -712401Contact and wh.no - 9609602757
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...