মানবজীবনের সৃজনশীলতা অনন্তকুমার করণ শাস্ত্রে বলে মানবজন্ম দুর্লভ। কোটি কোটি জন্ম অতিক্রম করে জীব বিবর্তনের পথ ধরে মানব জন্ম পায়। শাস্ত্র না মানতেও পারি। সীমিত ইন্দ্রিয়শক্তি দিয়ে ঈশ্বরের উপলব্ধি সম্ভব নয়। মনে হতে পারে, পূণর্জন্ম, পরলোক, আত্মার অস্তিত্ব, ঈশ্বর ইত্যাদি সবই ধোঁয়াশা। এইসব জটিল বিষয় না ভেবে সৃজনমূলক দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে জীবনকে দেখা যাক। আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবন, মৌল মানবসত্ত্বা, বুদ্ধিবৃত্তি,পরিবেশ, সমাজ, স্বাস্থ্য, কল্যান এবং রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক জীবন, দার্শনিক ও ধর্মীয় জীবন এবং প্রেম ও বিবেক ইত্যাদির উপর আলোকপাত করার চেষ্টা করলে কি আনন্দ ও আলোয় আমরা উদ্ভাসিত হতে পারবো না? এই স্পন্দন কি ঈশ্বর লাভের সহায়ক নয়? মানুষ মননশীল প্রাণী, অশন, বসন, যৌন-আচরন-সবক্ষেত্রেই তার আলাদা মর্যাদা, রকমফের ও নিয়ম-কানুন আছে। প্রত্যেকটি জীবন সত্ত্বার সঙ্গে তার পরিবেশ অবিচ্ছেদ্য। আমার মধ্যে সব না, সবার মধ্যে আমি? সেই তো তুমি, তুমিও তো সে!! দেহ আর মন-দুটোকেই একসাথে ধরে রাখে জী...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।